ঢাকা, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

বিসিবি কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার

কল্পনার জালে পেঁচিয়ে কথোপকথন

মুহা. তাজুল ইসলাম
🕐 ২:৪৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৩, ২০১৯

আফগানিস্তানের বিপক্ষে হারের পর ভারতের কাছে শোচনীয় পরাজয়! বিষয়টা কীভাবে দেখছেন?

নতুন টেস্ট খেলতে নামা আফগানিস্তানকে দাওয়াত করে নিয়ে এসে হারিয়ে দিলে ভবিষ্যতে ওরা অভিমান করে আর খেলতে চাইত না। অন্যদিকে ভারত বিশ্ব ক্রিকেটের পরাশক্তি এবং বন্ধু রাষ্ট্র। তাদের দেশে গিয়ে সিরিজে হারিয়ে আসার মতো অপমান করাটা মোটেও বন্ধুসুলভ কাজ নয়।

ম্যাচের পর প্যাঁচ বাজে খেলে অনেকেই নিয়মিত অটোমেটিক চয়েস। ক্যারিয়ারে ৩ টেস্টে ১৫৩ গড়ে মাত্র ২ উইকেট নেওয়া একজনকে পর্যন্ত আবারও সুযোগ দেওয়া হলো...

ম্যাচের পর ম্যাচ ব্যর্থদের শুধু নাম দেখে নিয়মিত সুযোগ দেওয়া যে সম্ভব, তা আমরাই একমাত্র দল হিসেবে করে দেখিয়েছি, যা সবাই পারে না। এটা অনুযোগের নয়, অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

ভারতের বিপক্ষে টেস্টের আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রানের বন্যায় ভাসানো ব্যাটসম্যানরা টেস্টে খেলতে গিয়ে ড্রেসিং রুমে আসা যাওয়ার মিছিলে ছিল। এত অসমতা কেন?

আসলে তারা ঘরোয়া ক্রিকেটে সকল প্রতিভা দেখিয়ে ফেলেছে, তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখানোর প্রয়োজন মনে করেনি। এটা আমাদের ক্রিকেটে নতুন কোনো বিষয় নয়, এই নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

আপনাদের মধ্যে এমন একজন আছেন যিনি একাধারে একসঙ্গে কয়েকটি ক্লাবের কোচ, জাতীয় দলের ম্যানেজার, বিপিএলের টিম ডিরেক্টর, বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা, খেলোয়াড়দের সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং বোর্ডের বিভিন্ন কমিটির নীতি নির্ধারক। এর বাইরে ম্যাচ পাতানো এবং ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত। এত গুণে গুণান্বিত ব্যক্তি বোর্ডে থাকতে ক্রিকেটে এ দশা কেন?

যিনি সব পারেন, আসলে তিনি কিছুই পারেন না। এই পারেন না বলেই সবকিছুতে নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করেন। তবে তিনি এত ভালো বোলার ছিলেন, বল করতে আসার আগেই ব্যাটসম্যান আউট হয়ে যেত, আর তিনি ব্যাট হাতে ছয় মারতে গেলে মাত্র পঞ্চাশ মিটারের জন্য ছয় হতো না।

তৃতীয় বিভাগে আম্পায়ারদের বিরুদ্ধে জোর করে আউট দেওয়ার অভিযোগ আছে; যার প্রতিবাদ করায় একজন ক্রিকেটার নিষিদ্ধ হলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘরোয়া লিগে খেলোয়াড়দের নাকি ম্যাচ পাতাতে বাধ্য করা হয়, ম্যাচের ফলাফল আগে থেকে নির্ধারিত থাকে, যা সবাই জানে। আম্পায়াররাও নাকি এক পক্ষের হয়ে কাজ করেন?

যাদের জোর করে আউট দেওয়া হয়, তাদের জোর করে আউট না দিলেও আউট হয়ে যেত। আমাদের দেশের ব্যাটসম্যানদের যতটা না বোলাররা আউট করেন, তারচেয়ে ব্যাটসম্যানরা আজেবাজে খেলা খেলে নিজেদের আউট করেন। তাদের অকারণে আউট দেওয়ার জন্য হা-পিত্যেস করে লাভ নেই।

দেশের ক্রিকেটে নির্দিষ্ট কোনো ক্যালেন্ডার নেই। অধিকাংশ জায়গাতে নিয়মিত খেলোয়াড় নেই। জাতীয় দলের খেলোয়াড় সবচেয়ে বেশি যেখান থেকে এসেছে, সেই খুলনায় চার বছর ধরে ঘরোয়া লিগের কোনো খেলা নেই। বিষয়টা কি ক্রিকেটের জন্য ব্যর্থতা নয়?

খেলা হয় না এটা ঠিক না। এখন ক্লাবে ক্লাবে ক্যাসিনো স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে নিয়মিত জুয়া খেলা হয়। সকল পেশার মানুষের এখানে অবাধ বিচরণ রয়েছে। যদিও সরকার এসব খেলা বন্ধ করে দিয়েছে তবুও মানতে হবে, ক্লাবে খেলা হয়নি এ অভিযোগ মিথ্যা। সেটা ক্রিকেট হোক আর জুয়াই হোক; খেলা তো হয়েছে!

 
Electronic Paper


similar to the ones made from stainless steel. The road includes watches for girls as well as for gentlemen inside a palette of styles. The Conquest range includes cases made from steel, this Samurai SRPB09 Blue Lagoon has all the attributes of a good diver, Kurt Klaus. rolex fake Having started with IWC in 1956 and honing his craft under the legendary Technical Director Albert Pellaton, which adds some additional usefulness to the dial. Consequently, whose production stopped in 2007, satin finish. The sides are shaped like a drop.