ধনী-গরিব সেন্টার

ঢাকা, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ধনী-গরিব সেন্টার

জেলী আক্তার ৮:১০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০১৯

print
ধনী-গরিব সেন্টার

সব ব্যবসা শেষ! ভুলু মিয়া এবার মোবাইল ফোনের একটা দোকান দিয়ে বসল। ধনী-গরিব সব ধরনের মোবাইল পাওয়া যায়- এভাবেই সাইন বোর্ডটা লেখা। এই নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনার ঝড়ও উঠেছিল। তারপর ভুলু মিয়া ব্যাপারটা পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিয়েছে।

 

ধনী-গরিব মোবাইল বলতে বুঝিয়েছে ধনী-গরিব যে কেউ তাদের সাধ্যের মধ্যে মোবাইল কিনতে পারবে এখানে। কম কিংবা বেশি দুই দামেরই মোবাইল ফোন পাওয়া যায়।

ওই যাত্রায় আলোচনা-সমালোচনা ঝড় চুকে গেল। ভুলু মিয়ার একটা সমস্যা, যা হচ্ছে উচ্চারণগত। তার একটা ছোটখাটো সমস্যা আছে, একটু কম শোনেন! আরেকটা বড় সমস্যা- মাঝে-মধ্যে একটু বেশি শোনেন। এই ছোট বড় মাঝারি সমস্যা নিয়েই চলছে।
একদিন বিকেলে দোকানে একজন মোবাইল কিনতে এসে বলল, ‘প্যাকেজ নিয়ে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, এমন একটা মোবাইল দেখান।’

ভুলু বলল, ‘ভাইজান শোনেন, এখানে সব মোবাইল একদম লেটেস্ট। কোনো সমস্যা নেই। চোখ বন্ধ কইরা নিয়া যান।’
ক্রেতা এত পরিমাণ আশা পেল যে, নিশ্চিন্তে ফোনটা কিনে নিল। বাসায় নিয়ে মোবাইলে সিম লাগানোর পর মাথায় যেন বাজ পড়ল, এ কী! সব প্যাকেজ তো সাধ্যের বাইরে।

মোবাইলটা নিয়ে আবার পরের দিন দোকানে গিয়ে বলল, ‘এটা কী মোবাইল দিয়েছেন, প্যাকেজ একদম ভালো না।’
‘বলেন কী, আমাদের দোকানে সব নতুন প্যাকেট। প্যাকেটে কোনো সমস্যা নেই।’
‘আরে ভাই, প্যাকেট না প্যাকেজ।’

‘ওহ, তাহলে শুনতে ভুল হয়ে গেছে।’ ‘তাহলে এখন মোবাইলটা ফেরত নেন।’
‘সাইন বোর্ডটা দেখেন- বিক্রীত মাল ফেরত নেওয়া হয় না!’