যুদ্ধাহত

ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১ আশ্বিন ১৪২৬

যুদ্ধাহত

অভিজিত বড়ুয়া বিভু ৪:০৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০১৯

print
যুদ্ধাহত

-কী যে করি। উফ্!
-তোর আবার হঠাৎ কী হলো?
-কী আর হবে। যা হওয়ার তাই।
-মানে?

-যুদ্ধ বুঝিস, যুদ্ধ? যুদ্ধের মাঝে দিন কাটাচ্ছি।
-তাই। কে এমন যুদ্ধবাজ রে। বল তো কীসের এত যুদ্ধ। কেন যুদ্ধ। ভর্তিযুদ্ধ নাকি?
-না রে ভাই। এ যুদ্ধের নাম গৃহযুদ্ধ।
-কেন! হঠাৎ আবার কী হলো?
-বাবা-মাকে নিয়ে সমস্যায় আছি।
-কেমন সমস্যা?
-প্রেম, পরকীয়া!

-তুই ঠিক আছিস তো? নাকি কিছু গিলেছিস। আংকেল-আন্টিকে নিয়ে এভাবে বলতে পারলি?
-মিথ্যা বলছি না রে। বাড়িতে গেলে অশান্তিতে ঘুমাতে পারি না। শুধু ঝগড়াঝাঁটি...।
-এখন কী সমাধান?
-সমাধানের পথ একটা বের করছি। তার আগে একটা কবিতা শোন...

-এ পরিস্থিতিতে কবিতা? তুই না একটা...!
-শুনবি তো আগে। কবিতার নাম গৃহযুদ্ধ।
ছেলেটি বলল সেদিন
হয়ে মহাক্ষুব্ধ,

কীভাবে থামাই বল
বাবা-মায়ের যুদ্ধ।
ঘুরে-ফিরে এক প্যাঁচাল
একটা বিষয় নিয়া,
বিষয়টা হাল জমানার
প্রেম পরকীয়া।

ভাল্লাগে না কোনো কিছু
আমিও কি নিয়ে পিছু
বেশ কয়েকটা প্রেম করে
করব একটা বিয়া?
-বাবা-মাকে নিয়ে কেউ এমন কবিতা লেখে?
-কী বলিস দোস্ত।

এ কবিতায় সমাধানের পথ বেরুবে। বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে কবিতাটি পড়তে দেব। তারপর...।
-তুই তো দেখছি শুধু পাগল না, বদ্ধ উন্মাদ!