‘ক্ষতিকর মশা নিজেই মারুন নিজেই মশারি টানান’

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

‘ক্ষতিকর মশা নিজেই মারুন নিজেই মশারি টানান’

বাংলাওয়াশ ডেস্ক ১:২৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০১৯

print
‘ক্ষতিকর মশা নিজেই মারুন নিজেই মশারি টানান’

প্রতি বছরের মতো এ বছরও এডিস মশার আগ্রাসন শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় চার হাজার লোক আক্রান্ত হয়েছে। আপনার বক্তব্য কী?
যাই বলুক না কেন, পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। আপনাকে বুঝতে হবে, এটা বিরোধী দলের ষড়যন্ত্র। তারা মশার চাষ করে, মশার বৃদ্ধি ঘটিয়ে আমাদের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে।

 

এডিস মশা বৃদ্ধিতে জনগণ তো আপনাদেরই দায়ী করছে...?
এ বিষয়ে আমাদের কোনও দায় নেই। মশা তো আর সিটি করপোরেশনের ড্রেন কিংবা ময়লার ডাস্টবিনে হয় না। জনগণকে বেশি বেশি মশা মারতে হবে। আমি নিজেই মশা মারি। কিছুক্ষণ আগে বিশটা মশা মারলাম। বাসায় আমি একা নই- আমার বউ, বাচ্চা এমনকি শাশুড়ি পর্যন্ত সময় পেলেই মশা মারে। কই, মশা নিয়ে কোনও সমস্যা তো হচ্ছে না!

তাহলে আপনারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না?
কে বলেছে ব্যবস্থা নিচ্ছি না? প্রতিনিয়ত মশা মারার জন্য ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে।

আপনাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাই স্বীকার করছেন, মশা মারার ওষুধের বিরুদ্ধে নাকি মশা সক্ষমতা অর্জন করেছে! তাই মশা মারতে কোনো কাজেই আসছে না?
এটা পরিবর্তনের কোনও প্রয়োজন আপাতত নেই। কারণ, মশা মারার ওষুধ স্প্রে করতে দেখেই মশা ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এটা স্প্রে করার সফলতা। স্প্রে চলতেই থাকবে, মশা মরুক আর না মরুক!

একজন আইনজীবীর স্ত্রী আক্রান্ত হওয়ায় যে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন...?
ওই ব্যক্তি সময়মতো মশারি টানাননি বলেই মশা কামড়েছে। আমি তো আর ঘরে ঘরে গিয়ে মশারি টানিয়ে দিতে পারব না! প্রত্যেকেরই নিজের মশারি নিজের টানতে হবে। বিয়ের আগে মশারি টানাতাম, বিয়ের বিশ বছর পরেও নিজেই টানাই। রান্না করা, কাপড় ধোয়া, থালা-বাসন মাজা নিজেই করি।

নগরবাসীর প্রতি আপনার পরামর্শ কী?
মোটেই আতংকিত হবেন না। সকাল বিকাল পেঁপে পাতার জুস খাবেন। আমি নিজেও দুই বেলা পেঁপে পাতার জুস খেয়ে ভালো ফল পাচ্ছি। কলিকাতা হারবাল ফেল, মশা এখন ভয়ে কাছেই আসে না!

কাল্পনিক সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন
মুহা. তাজুল ইসলাম