জলোচ্ছ্বাস রোধে সবুজ বেষ্টনী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ | ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

জলোচ্ছ্বাস রোধে সবুজ বেষ্টনী

সোলায়মান পিন্টু, কলাপাড়া ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ০১, ২০১৮

print
জলোচ্ছ্বাস রোধে সবুজ বেষ্টনী

ঝড় বা জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধ করে গাছ মানুষকে রক্ষা করে। এ জন্য উপকূলীয় এলাকা পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সবুজ বেষ্টনীর কাজ শুরু হয়েছে। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ অভিযানে নেমেছে। এলাকার লোকজন বৃক্ষরোপণ করলে এক সময় উপকূলীয় এ জনপদ ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পাবে বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার পৌর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিক্রির হাট বসে। ওই হাট থেকে হাজার হাজার চারা গাছ ক্রয় করে নিয়ে যায় এলাকার মানুষ। চারা গাছের মধ্যে রয়েছে চাম্বল, রেইনট্রি, মেহগনী, আকাশমনি, লেবু, আম, কাঁঠাল, মালটা, পেয়ারা, আমড়া, কামরাঙ্গা ইত্যাদি।

বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড কনসার্ন বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উপজেলার বালিয়তলী, মিঠাগঞ্জ, ডালবুগঞ্জ ও মহিপুর ইউনিয়নের ৬ কিলোমিটার সড়কের উভয়পাশে চার হাজার বনজ বৃক্ষরোপণ করেছে। ওইসব গাছের চারা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে স্থানীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ কমিটি।

ওয়ার্ল্ড কনসার্ন বাংলাদেশের উপজেলা সমন্বয়কারী জেমস রাজিব বিশ্বাস জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় টিয়ার ফান্ড, সিডর ফান্ড ও ইন্টারঅ্যাক্টের অর্থায়নে ইতোমধ্যে ওইসব ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

কলাপাড়া বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে উপকূলীয় এলাকায় ৫৩ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেছেন।

এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে নিহত ৩০ লাখ শহীদের স্মরণে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে কলাপাড়া বন বিভাগ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২২ হাজার ৫শ গাছের চারা রোপণ করে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মন্নান জানান, এলাকার লোকজন এভাবে যদি চারা গাছ রোপণ করে তাহলে এক সময় উপকূলীয় এ জনপদে সবুজ বেষ্টনী তৈরিসহ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।