কোয়ালিটি এবং কোয়ানটিটি দুটোই রয়েছে নীলসাগর বীজের

ঢাকা, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

কোয়ালিটি এবং কোয়ানটিটি দুটোই রয়েছে নীলসাগর বীজের

নিজস্ব প্রতিবেদক ১:১১ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০২০

print
কোয়ালিটি এবং কোয়ানটিটি দুটোই রয়েছে নীলসাগর বীজের

ভালো ফলন হইছে বোরো ধানের। বিঘায় ৩০মন পর্যন্ত ধান পাওয়া গেইছে। দিন দিন নীলসাগর বীজের চাহিদাও বাড়েছে। বলছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের গাবেরতল এলাকার কৃষক আল মামুন। এবার চার বিঘা জমিতে চমক-১ (হাইব্রিড) জাতের ধান লাগিয়েছেন। ভালো ফলন হওয়ায় অত্যন্ত খুশি তিনি।

কৃষক মামুন জানান, এলাকার অনেক কৃষক এইবার নীলসাগরের চমক-১ হাইব্রিড জাতের ধানের চারা লাগিয়েছে।

আরেক কৃষক জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের হরিশচন্দ্র পাঠ এলাকার বেলাল হোসেন। দুই বিঘা জমিতে চিকন জাতের উইন-৩০১ জাতের ধান লাগিয়ে ফলন পেয়েছেন বিঘা প্রতি ৪০মন পর্যন্ত।

বেলাল হোসেন জানান, চিকন ধানের এই জাতের ফলন অন্যান্য কোম্পানীর চেয়ে অনেক ভালো। শীষে ৪৫০-৫০০টি পর্যন্ত ধান হয়।

সুত্র জানিয়েছে, চলতি বোরো মৌসুমে নীলসাগর গ্রুপের হাইব্রিড জাতের চমক-১, বিজলি এবং চিকন জাতের উইন-৩০১ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

নীলসাগর বীজের সহকারী ব্যবস্থাপক জিয়াউর রহমান জুয়েল জানান, পাঁচ মেট্রিক ধান বীজ বিক্রি হয়েছে শুধু আমার কর্ম এলাকার মধ্যে। এক কেজি বীজের চারায় ১৫ শতাংশ জমিতে রোপণ করা যায়, বিঘা প্রতি দুই কেজি বীজের চারায় যথেষ্ট। গুণগত মান, ফলন ভালো হওয়ায় নীলসাগর বীজের চাহিদা বাড়ছে দিনে দিনে। শুধু ধান বীজ নয় সবজীর ক্ষেত্রেটাও একেই রকম।

গোপালগঞ্জ জেলার সাতপাড় বাজার এলাকার ডিলার গোপাল ঠাঁকুর জানান, নীলসাগরের চমক-১ ও উইন ৩১০ কৃষকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। আগামীতে আরো বেশি চাহিদা বাড়বে এই বীজের।

নীলসাগর বীজের জাতীয় উৎপাদন ব্যবস্থাপক আব্দুর রউফ জানান, অন্যান্য যে কোন কোম্পানীর বীজের চেয়ে নীলসাগরের বীজের গুণগত মান অত্যন্ত ভালো। কোয়ালিটি এবং কোয়ানটিটি দুটোই রয়েছে। বিশেষ করে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় আমরা গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

বীজের ব্যাপারে যেকোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে সেটি জানার জন্য আমরা একটি হটলাইন চালু করেছি, যেটি অন্য কোন কোম্পানীতে নেই। সারাদেশে নীলসাগর বীজের বিস্তৃতি ঘটেছে ব্যাপক ভাবে। আগামীতে আরো পরিসর বাড়বে।

জেলা কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মাজেদুল ইসলাম জানান, সরকার মাত্র শতকরা ৫ ভাগ বীজ উৎপাদন করে থাকে। বাকিটা বেসরকারী কোম্পানীগুলোর উৎপাদন। অন্যান্য কোম্পানীর তুলনায় নীলসাগর গ্রুপের বীজ অত্যন্ত সুনাম কুড়িয়েছে। কৃষকরা দেশী, হাইব্রীড জাতের বীজ রোপণ করে ভালো ফলন পাচ্ছেন। বিশেষ করে এবারের বোরো মৌসুমে চমক-১, উইন-৩১০, বিজলি কৃষকরা ব্যবহার করেছেন। এটি ভালো দিক একটি কোম্পানীর জন্য।