বরেন্দ্র অঞ্চলে কুল চাষে সাফল্য

ঢাকা, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০ | ২৭ আষাঢ় ১৪২৭

বরেন্দ্র অঞ্চলে কুল চাষে সাফল্য

ডিএম রাশেদ, পোরশা (নওগাঁ) ৫:২৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৩, ২০২০

print
বরেন্দ্র অঞ্চলে কুল চাষে সাফল্য

নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে ধান বাদ দিয়ে অন্য কোন ফসল ফলানোর কোন চিন্তাই করেননি এ অঞ্চলের কৃষক। এ অঞ্চল ধানের জন্য বিখ্যাত। তবে বর্তমানে এ অঞ্চলের কৃষিতে যোগ হয়েছে আম। ধানী জমিতে এখন প্রচুর পরিমাণে চাষ হচ্ছে আম। ধানের তুলনায় আম চাষে কয়েকগুণ বেশি টাকা আয় হচ্ছে কৃষকদের। তাই প্রতি বছর ধানী জমিতে আম গাছ রোপণ বেড়েই চলেছে।

বরেন্দ্র অঞ্চলের এ মাটিতে তৃতীয় ধাপে যোগ হতে চলেছে নতুন জাতের আপেল কুল। যদিও লোকসানের আশঙ্কায় প্রথমে এ অঞ্চলের কৃষকরা কেউ কুল চাষে পা বাড়াতে চাননি। তবে পরে বাইরের এলাকায় কাশ্মীরি ও বলসুন্দরী জাতীয় নতুন এ আপেল কুল চাষ হচ্ছে জেনে এবং এটির ফলনও লাভজনক হচ্ছে জেনে পরীক্ষামূলকভাবে বরেন্দ্র অঞ্চলের হাতেগোনা কয়েকজন কৃষক কাশ্মীরি ও বলসুন্দরী নামের আপেল কুল চাষ করেন।

চাষের প্রথম বছরেই ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন আপেল কুল চাষিরা। তারা প্রথম বছরে সাহস দেখালেও চাষ করেন সামান্য জমিতে। ফলন ওঠার পর সবার মুখে হাসি। ফলন ও দাম দুটোই ভালো পেয়ে আরো ব্যাপক হারে জমিতে এ জাতীয় কুল চাষের পরিকল্পনা করছেন তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাহফুজ আলম জানান, পোরশার মাটিতে নতুন ফসল যোগ হচ্ছে আপেল কুল। কুল চাষ পতিত জমিতে হয়। মাটির গুণাগুণ হিসেবে পোরশার মাটির কুল খুব মিষ্টি ও সুস্বাদু। এ উপজেলায় সর্বমোট ৩৯ একর জমিতে এ বছর আপেল কুল চাষ হয়েছে।

আগামী বছর থেকে এ উপজেলায় শতাধিক একর জমিতে এ জাতীয় ফল চাষ হবে বলে তিনি আশা করছেন। বাজারে বলসুন্দরী নামের কুলের চাহিদা ও দাম অনেক বেশি। তাই যারা কুল চাষে আগ্রহী তাদেরকে তিনি বলসুন্দরী নামক নতুন জাতের কুল চাষ করার পরামর্শ প্রদান করেন।