মনিরামপুরে জনপ্রিয় হচ্ছে ব্রকলি চাষ

ঢাকা, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২০ | ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭

মনিরামপুরে জনপ্রিয় হচ্ছে ব্রকলি চাষ

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি ৩:১০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০৯, ২০২০

print
মনিরামপুরে জনপ্রিয় হচ্ছে ব্রকলি চাষ

পুুষ্টি তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী শীতকালীন সবজি ব্রকলি। শুধু পুষ্টিগুণ নয়, পুষ্টিবিদদের মতে ডায়াবেটিকস, ক্যান্সার ও হার্টের রোগ প্রতিরোধে এবং উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টরল কমাতে ব্রকলি বেশ কার্যকরী সবজি। ফুলকপির মতো দেখতে হলেও এর রঙ গাঢ় সবুজ। দামও সাধারণ ফুলকপি থেকে প্রায় দ্বিগুণ। কাঁচা ও রান্না দুইভাবেই খাওয়া যায় ব্রকলি।

রোগবালাইমুক্ত, দাম বেশি, বাজারে ব্যাপক চাহিদা এবং একই মৌসুমে একই জমিতে দুইবার চাষের সুযোগ থাকায় ব্রকলি চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যশোরের মনিরামপুরে। উপজেলার রোহিতা, মশ্মিমনগর, ঝাঁপা ও চালুয়াহাটি ইউনিয়নের অনেক কৃষক এখন ব্রকলি চাষ করছেন। সফলতাও পেয়েছেন তারা।

বিষমুক্ত লাভজনক সবজি উৎপাদন ও বিপণন নিয়ে কাজ করা ‘সফল’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে ২০১৬ সালে উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের পলাশী গ্রামে প্রথম ব্রকলির চাষ শুরু হয়। স্থানীয় প্রদীপ বিশ্বাসসহ কয়েকজন চাষিকে প্রযুক্তিজ্ঞান দেওয়াসহ সার্বিক সহযোগিতা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। প্রথম বছরে সফলতা আসে প্রদীপের। এরপর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এটি। পলাশী গ্রামের প্রদীপের দেখাদেখি ওই গ্রামের রতন বিশ্বাস, শ্রীনিবাস, স্বপন মণ্ডল, মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাকসহ ১৬ জন কৃষক প্রায় নয় বিঘা জমিতে ব্রকলি চাষ করেছেন। এদের মধ্যে মিজানুর রহমান এবার দুই বিঘা জমিতে ব্রকলি চাষ করেছেন।

সফল এনজিওর স্থানীয় ফিল্ড অর্গানাইজার আল-আমিন হোসেন বলেন, প্রথম দিকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে পলাশী গ্রামের কয়েক কৃষককে ব্রকলি চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। এরপর কৃষকদের নিয়ে ব্রকলির উপর প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। তখন থেকে এই চাষে কৃষকরা ঝুঁকে পড়েন। গত বছর ৫-১০ কাঠা করে কৃষকরা ব্রকলি চাষ করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হীরক কুমার সরকার বলেন, ব্রকলি অত্যন্ত সুস্বাদু সবজি। মানুষের দেহের উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টরল কমাতে এবং বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে এ সবজি কার্যকরী।