বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
টুকটুকি হালুমদের সঙ্গে শিশুদের উল্লাস
নিজস্ব প্রতিবেদক
Published : Saturday, 10 February, 2018 at 10:45 PM
টুকটুকি হালুমদের সঙ্গে শিশুদের উল্লাস
একুশে বইমেলার দশম দিন অতিবাহিত হলো গতকাল শনিবার। গতকাল ছিল শিশুপ্রহরের চতুর্থ দিন। নিয়মানুযায়ী, প্রতি শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিশুপ্রহর। এ দুই ঘণ্টায় শিশুরা নিজেদের মতো আনন্দ উদযাপন করে। মেলায় তাদের জন্য ছড়িয়ে রাখা হয় আনন্দের নানা উপকরণ।
গতকাল দেখা গেছে, মেলার দুই অংশই ছিল শিশুকিশোরদের পদচারণায় মুখর। খুদে পাঠকরা মেলার ঘুরে ঘুরে দেখেছে মেলার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। শিশুপ্রহরের মূল আয়োজন ছিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিশু চত্বরে। সেখানেই বেশি ছিল শিশুদের উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাস। অভিভাবকদের সঙ্গে স্টলে স্টলে ঘুরে কিনেছে পছন্দের বই।
শিশুপ্রহরের শুরুতেই টেলিভিশনের জনপ্রিয় সিরিজ সিসিমপুরের চরিত্রদের সঙ্গে উল্লাসে মেতেছে শিশুরা। শিশুদের কোলাহলে মুখর হয়ে উঠেছিল একটি বাক্য- ইকরি এসো, টুকটুকি এসো, হালুম এসো! শিশুদের ডাকে সাড়া দিয়ে পর্দা উঠিয়ে প্রথমে বই হাতে মঞ্চে প্রবেশ করে টুকটুকি। টুকটুকি ঘাড় দুলিয়ে শিশু বন্ধুদের কাছে নিজের পরিচয় দেয়-আমি টুকটুকি, বই পড়তে ভালোবাসি! আমার লম্বা লম্বা চুল, বেণি করে রাখি!
বিক্রয়কর্মীরা জানান, বইয়ের প্রকৃত পাঠক শিশুরাই। শিশুকিশোররা মেলায় এলে বই না কিনে যায় না। অভিভাবকের কাছ থেকে ঠিকই আদায় করে নেয় পছন্দের বইটি।
টুকটুকি হালুমদের সঙ্গে শিশুদের উল্লাস
প্রকাশকরা জানালেন, গতকালকের বইয়ের বিক্রি তুলনামূলক ভালো। বেশি বিক্রির তালিকায় আছে কমিক্সের বই।
প্রতিবছরই মনীষীর বাণীতে সাজে মেলা প্রাঙ্গণ। ব্যত্যয় হয়নি এবারও। শিল্পী কামরুল হাসানসহ কালজয়ী বিশজন কবি, লেখক, মনীষী ও শিল্পীর বাণী মেলাকে দিয়েছে অন্য মাত্রা।
মেলা প্রাঙ্গণে বিশজন কবি-সাহিত্যিকের কালজয়ী লেখার চরণ ব্যবহার করে স্থাপন করা হয়েছে সাড়ে তিনশ বিলবোর্ড। দোয়েল চত্বর থেকে টিএসসি মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুপাশের ফুটপাতে শতাধিক বিলবোর্ডের বাণীগুলো আকর্ষণ করছে দর্শনার্থীদের। বাংলা একাডেমি অঙ্গন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিভিন্ন সারিতে প্রায় দুইশ ক্যানভাস স্থাপন করা হয়েছে।
বাণীগুলো হচ্ছে- আবদুল লতিফের ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়’, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’, সুফিয়া কামালের ‘মূকের ফুটেছে ভাষা, ভীরু কণ্ঠে বেজে উঠে গান’, অতুল প্রসাদ সেনের ‘মোদের গরব মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা’, গাজীউল হকের ‘স্মৃতির সৌধ ভাঙিয়াছে, জেগেছে পাষাণের প্রাণ’ ইত্যাদি। একুশে গ্রন্থমেলা কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. জালাল আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, ভাষাশহীদ ও ভাষা আন্দোলনের বীর সৈনিকদের ওপর আমাদের কবি সাহিত্যিকরা কালজয়ী লেখা লিখেছেন। সেসব গান-কবিতা, লেখা নতুন প্রজন্মসহ সব বয়সের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: আহসান হাবীব
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত খোলাকাগজ ২০১৬
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বসতি হরাইজন এ্যাপার্টমেন্ট নং ১৮/বি, হাউজ-২১, রোড-১৭, বনানী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১৩।
ফোন : +৮৮-০২-৯৮২২০২১, ৯৮২২০২৯, ৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৬, ৯৮২২০৩৭, ফ্যাক্স: ৯৮২১১৯৩, ই-মেইল : kholakagojnews@gmail.com
Developed & Maintenance by i2soft
var _Hasync= _Hasync|| []; _Hasync.push(['Histats.start', '1,3452539,4,6,200,40,00010101']); _Hasync.push(['Histats.fasi', '1']); _Hasync.push(['Histats.track_hits', '']); (function() { var hs = document.createElement('script'); hs.type = 'text/javascript'; hs.async = true; hs.src = ('//s10.histats.com/js15_as.js'); (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(hs); })();