সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭
ইন্টারনেট সুবিধা বঞ্চিত বেরোবি শিক্ষার্থীরা
সাইফুল ইসলাম, বেরোবি
Published : Monday, 17 July, 2017 at 1:04 PM
ইন্টারনেট সুবিধা বঞ্চিত বেরোবি শিক্ষার্থীরা
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৯ বছরেও শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের তেমন সুবিধা গড়ে উঠেনি। ক্যাম্পাসে ওয়াইফাই সংযোগ না থাকা ও সাইবার সেন্টার সীমিত আকারের হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেটের স্বাভাবিক ব্যবহার করতে পারছে না। এতে তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে পড়ছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, বিগত সময়ে কযেক দফায় ক্যাম্পাসকে ওয়াইফাই এর আওতাধীন করার পরিকল্পনা করলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে নানান সমস্যায় জর্জরিত সীমিত আকারের সাইবার সেন্টারই শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের মুল কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাইবার সেন্টার শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ এমন অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। সাইবার সেন্টার সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীকে ইন্টারনেট সুবিধা দিতে সেখানে ৩০টি কম্পিউটার রাখা হয়েছে। যার ৪ টি বিকল। শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে ৫ দিন দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৪ ঘন্টা সাইবার সেন্টার উন্মক্ত থাকে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী ১ ঘন্টা করে বসার সুযোগ পান। সেক্ষেত্রে প্রতিদিন গড়ে ৬০-৭০ জন শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পেয়ে থাকে।
প্রায় আট হাজার শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিষ্ঠিত সেন্টারটির জন্য বরাদ্দ মাত্র একটি কক্ষ। প্রতিষ্ঠার ৯ বছরেও নির্মাণ হয়নি কোনো স্বতন্ত্র ভবন। পর্যাপ্ত জনবল, যথেষ্ট ইক্যুপমেন্ট না থাকায় সাইবার সেন্টারটির এখন বেহাল দশা।
শিক্ষার্থীদের জন্য সীমিত সময়ের কারণ জানতে চাইলে সাইবার সেন্টারের নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটর আতিকুর রহমান মিলন বলেন, যেসব বিভাগের কম্পিউটার ল্যাব নেই তারা এখানে ল্যাব ক্লাস করে থাকে। আইসিটি বিষয়ক বিভিন্ন প্রোগ্রামের ক্লাস, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড তৈরিসহ নানা কারণে সাইবার সেন্টার ব্যস্ত থাকায় শিক্ষার্থীরা কম সময় পেয়ে থাকে।
গত সোমবার বিকাল ৩ টার দিকে সাইবার সেন্টারে ইন্টারনেট ব্যবহার করছিলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যম কর্মী আল-আমীন। তিনি জানান, ‘একজন শিক্ষার্থী মাত্র ১ ঘন্টা সময় পেয়ে থাকে। বিদ্যুৎ না থাকলে বিকল্প কিছু থাকে না। সাইবার সেন্টার কক্ষে প্রচণ্ড গরম থাকে। নেটের গতি অত্যন্ত স্লো হওয়ায় ভালোভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না।’
সাইবারে নেট ব্যবহার করতে আসা অনেক শিক্ষার্থী ইন্টারনেট চালু, কম্পিউটার সমস্যা, জায়গা অসংকুলান এবং পর্যাপ্ত সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন জানান, এখানে নেট কানেকশন খুবই ধীরগতির। মাঝে মাঝে পাওয়ার বন্ধ হয়ে যায়। সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাসেল জানান, সাইবারে ওয়াইফাই ব্যবস্থা নাই, জায়গা নাই, মাঝে মাঝে ইন্টারনেট কানেকশনও পাওয়া যায় না। এছাড়াও বাংলা টাইপিং এর জন্য সফটওয়ার, ডাউনলোড ধীরগতি এবং অন্যান্য সমস্যার কথাও জানান একাধিক শিক্ষার্থী।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, “শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট সুবিধা দিতে  পুরো ক্যাম্পাস ওয়াইফাই এর আওতাধীন করা প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইবার সেন্টারটিও আপডেট করার কাজ চলছে। তবে এ কাজগুলো কখন সম্পন্ন হবে সে বিষয়ে নির্ধারিত কোন সময় জানাননি উপাচার্য।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: আহসান হাবীব
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত খোলাকাগজ ২০১৬
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বসতি হরাইজন এ্যাপার্টমেন্ট নং ১৮/বি, হাউজ-২১, রোড-১৭, বনানী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১৩।
ফোন : +৮৮-০২-৯৮২২০২১, ৯৮২২০২৯, ৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৬, ৯৮২২০৩৭, ফ্যাক্স: ৯৮২১১৯৩, ই-মেইল : kholakagojnews@gmail.com
Developed & Maintenance by i2soft
var _Hasync= _Hasync|| []; _Hasync.push(['Histats.start', '1,3452539,4,6,200,40,00010101']); _Hasync.push(['Histats.fasi', '1']); _Hasync.push(['Histats.track_hits', '']); (function() { var hs = document.createElement('script'); hs.type = 'text/javascript'; hs.async = true; hs.src = ('//s10.histats.com/js15_as.js'); (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(hs); })();